গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে নোয়াবের বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করেছে সরকার
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে নোয়াবের বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করেছে সরকার
প্রকাশিতঃ ৮ আগস্ট ২০২৫ | সর্বশেষ আপডেটঃ ৮ আগস্ট ২০২৫
ঢাকা:
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংক্রান্ত সম্পাদকদের সংগঠন নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সাম্প্রতিক বিবৃতিকে সরকার ‘অপব্যাখ্যা ও বিভ্রান্তিকর’ হিসেবে অভিহিত করে প্রত্যাখ্যান করেছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আজ এক আনুষ্ঠানিক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, “নোয়াবের বিবৃতিতে বাস্তবতা বিকৃত করে সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের পরিবেশ সম্পর্কে ভুল বার্তা দেওয়া হয়েছে। সরকার সবসময় স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও পেশাগত সাংবাদিকতাকে সমর্থন করে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।”
নোয়াব তাদের বিবৃতিতে সম্প্রতি কিছু সংবাদ মাধ্যমের উপর ‘চাপ ও নিয়ন্ত্রণ’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছিল যে, “গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বর্তমানে হুমকির মুখে রয়েছে এবং এটি সংবাদপত্র শিল্পের ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় সংকেত।”
এই প্রসঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, “বাংলাদেশে বর্তমানে ৩০০-এর অধিক সংবাদপত্র এবং শতাধিক টিভি চ্যানেল অবাধে কাজ করছে। কোনো মাধ্যমকে তাদের সংবাদ প্রকাশে বাধা দেওয়া হয়নি, তবে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, জাতীয় স্বার্থ ও ভ্রান্ত তথ্য প্রচারের বিষয়ে আইনগত কাঠামোর মধ্যে থেকে দায়িত্বশীলতা প্রত্যাশিত।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই ইস্যু ঘিরে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একাংশ নোয়াবের বিবৃতিকে সমর্থন জানালেও, অন্যপক্ষ সরকারের অবস্থানকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করছে।
গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানো উচিত, যাতে করে স্বাধীনতা এবং দায়িত্ববোধ—উভয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।